Friday, 2 December 2016

NoteBan - TMC stages dharna outside Tea Board office at Kolkata in West Bengal


Intensifying the protest against demonetisation, the Trinamool Trade Union leaders on Thursday staged a dharna in front of the Tea Board in Kolkata.

Addressing the demonstration programme of Trinamul Congress’s trade wing INTTUC involving the tea garden workers right in front of Tea Board, Sovandeb Chatterjee said, “Workers in tea gardens are on the brink of starvation due to the present cash crunch. The tea garden owners are unable to pay wages to them. This Tea Board is non-functional.”

INTTUC on Thursday submitted a deputation before the chairman of the Tea Board, seeking its intervention to alleviate the poor condition of the tea garden workers in the state.

Rajya Sabha MP and INTTUC leader Dola Sen alleged discrimination by the Central Government in regard to the tea gardens in Assam and Bengal. “There are no ATM’s in tea gardens. The workers have to travel  a distance of 10 km for drawing cash and in most cases they are finding that the machines are unable to dispense cash. The tea garden workers will have no other option but to commit suicide if this situation continues,” Ms Sen said.

 

নোট বাতিল ইস্যুতে চা শ্রমিকদের পাওনার দাবিতে টি বোর্ড অফিসের বাইরে ধর্ণা তৃণমূলের

নোটবাতিলের বিরুদ্ধে আন্দোলন আরও তীব্রতর করতে তৃণমূলের শ্রমিক ইউনিয়ন বৃহস্পতিবার কলকাতার টি বোর্ডের অফিসের সামনে ধর্ণা দেয়।

টি বোর্ডের  ঠিক সামনে চা বাগানের কর্মীদের নিয়ে তৃণমূলের শ্রমিক ইউনিয়ন আইএনটিটিইউসির ধর্ণার মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বলেন, “চা বাগানের মালিকরা টাকার অভাবে শ্রমিকদের তাদের পারিশ্রমিক দিতে পারছে না, তাই, শ্রমিকদের অনাহারে দিন কাটাতে হচ্ছে। এই টি বোর্ড কি কাজ করছে?”

আইএনটিটিইউসির পক্ষ থেকে এদিন টি বোর্ডের চেয়ারম্যানকে ডেপুটেশন জমা দেওয়া হয়। ওই ডেপুটেশনে চা বাগানের কর্মীদের চরম দুর্ভোগ উপশম করার জন্য টি বোর্ডের সাহায্য চাওয়া হয়েছে।

রাজ্যসভার সাংসদ ও আইএনটিটিইউসির নেত্রী দোলা সেন অভিযোগ করেন বাংলা ও অসমের চা বাগানের কর্মীদের মধ্যে বৈষম্যমূলক আচরণ করেছেন কেন্দ্রীয় সরকার। তিনি বলেন, “চা বাগানের কোথাও কোনো এটিএম নেই, শ্রমিকদের অন্তত ১০ কিঃ মিঃ আস্তে হয় নিকটস্থ এটিএমটির জন্য, কিন্তু, সিংহভাগ ক্ষেত্রেই মেশিনগুলিতে কোনো টাকাই থাকছে না। এই অচলাবস্থা আর কিছুদিন চললে চা বাগানের শ্রমিকদের জন্য আত্মহত্যা ছাড়া আর কোনো পথ খোলা থাকবে না।”